ঠাকুরগাঁ জেলা
ঠাকুরগাঁ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল
পরিচ্ছেদসমূহ
১ ভৌগোলিক সীমানা
২ প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
৩ ইতিহাস
৪ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা
৫ অর্থনীতি
৬ শিক্ষা
৭ কৃতি ব্যক্তিত্ব
৮ নদীসমূহ
৯ চিত্তাকর্ষক স্থান
১০ তথ্যসূত্র
১১ গ্যালারি
১২ বহি:সংযোগ
১৩ আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
ভৌগোলিক সীমানা
ঠাকুরগাঁও জেলার উত্তরে পঞ্চগড় জেলা, দক্ষিণে দিনাজপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে দিনাজপুর জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
ঠাকুরগাঁও জেলা ৫টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা
পীরগঞ্জ উপজেলা
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা
রানীশংকৈল উপজেলা
হরিপুর উপজেলা
রুহিয়া উপজেলা
ইতিহাস
ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদীর পাড়ে অপরাজেয় ৭১ ভাস্কর্য।
টাংগন, শুক ও সেনুয়া বিধৌত এই জনপদের একটি ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে বৃটিশ শাসনমলে বর্তমান পৌরসভা এলাকার কাছাকাছি কোনো স্হানে একটি থানা স্হাপিত হয়। এই পরিবারের নাম অনুসারে থানাটির নাম হয় ঠাকুরগাঁও থানা। "ঠাকুর" অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের সংখ্যাধিক্যের কারণে স্হানটির নাম ঠাকুরগাঁও হয়েছে।
১৭৯৩ সালে ঠাকুরগ্রাম অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে ঘোষিত হয়। এর অধীনে ছয়টি থানা ছিল, এগুলো হলঃ ঠাকুরগাঁও সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, হরিপুর ও আটোয়ারী। ১৯৪৭ সালে এই ৬টি থানা এবং ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ৩টি থানা ও কোচবিহারের ১টি থানা (পঞ্চগড়, বোদা, তেতুলিয়া ও দেবীগঞ্জ) নিয়ে ১০টি থানার মহকুমা হিসেবে ঠাকুরগাঁও নুতনভাবে যাত্রা শুরু করে। কিন্ত ১৯৮১ সালে আটোয়ারী, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া নিয়ে পঞ্চগড় নামে আলাদা মহকুমা সৃষ্টি হলে ঠাকুরগাঁও মহকুমার ভৌগোলিক সীমানা ৫টি থানায় সংকুচিত হয়ে যায়। থানাগুলি হচ্ছেঃ ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর। ১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী ঠাকুরগাঁও মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়।
ছোট জেলা হলেও ঠাকুরগাঁও প্রাচীন ঐতিহ্যসমৃদ্ধ একটি জনপদ। এখানে যেমন উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর (সাঁওতাল ও উরাও) মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছে, তেমনিভাবে বৌদ্ধ, হিন্দু, মুসলমান শাসনামলে বিভিন্নমুখি পরিবর্তনের ছোয়ায় পালাবদলের প্রক্রিয়া চলেছে। জেলার নেকমরদ, রাণীশংকৈল এসব স্হানে সুপ্রাচীন সভ্যতার নির্দশন বিদ্যমান।
অতীত এবং বর্তমান বিচারে উত্তরাঞ্চলের মধ্যে ঠাকুরগাঁও একটি সমৃদ্ধ জেলা। ১৯৭১-এ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বরেন্দ্র ভূমির অন্যান্য জেলার মতই এই জেলার মানুষ ক্রমান্বয়ে উন্নততর যোগাযোগ ব্যবস্যা এবং উন্নয়নের অন্যান্য সুফল লাভে সক্ষম হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলার মানুষ বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে যোগসূত্র স্হাপন করে সকল সামাজিক, রাজনৈতিক আন্দোলনে ভাগীদার হয়েছে এবং নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা
জামালপুর জামে মসজিদ
ঠাকুরগাঁও জেলারয় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত দুটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। সেগুলো হচ্ছে ঢোলহাট মন্দির ও জামালপুর জামে মসজিদ। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হচ্ছে হরিপুর রাজবাড়ি।
অর্থনীতি
প্রধান শস্যঃ ধান, গম, আখ। রপ্তানী পণ্যঃ ধান, চাল, আম।
শিক্ষা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০; কলেজ : ২৭; মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৪১ ও মাদ্রাসা : ৭৪
কৃতি ব্যক্তিত্ব
রাজা গণেশ, (শাসনকাল ১৪১৫) ছিলেন বাংলার একজন হিন্দু শাসক। তিনি বাংলার ইলিয়াস শাহি রাজবংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন।
সুরবালা সেনগুপ্ত, (১৮৮১ - ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) ছিলেন ভারত উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন বিপ্লবী নেত্রী।
নরেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ (জন্ম : ১৪ এপ্রিল, ১৯১২ - মৃত্যু ৪ আগস্ট ১৯৯৪) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, (৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ - ৬ নভেম্বর, ১৯৭০) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক ।
স্বদেশরঞ্জন মুখোপাধ্যায় (জন্ম : ১৯২৪ - মৃত্যু ২০০৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।
তৃপ্তি মিত্র, (২৫ অক্টোবর, ১৯২৫ – ২৪ মে, ১৯৮৯) বাংলা ভাষার থিয়েটার ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী এবং শম্ভু মিত্রের স্ত্রী।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮) হচ্ছেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
রমেশ চন্দ্র সেন,(জন্মঃ ৩০ এপ্রিল ১৯৪০)হচ্ছেন সংসদ সদস্য ঠাকুরগাঁও - ১
নদীসমূহ
হরিপুর উপজেলায় বাংলাদেশ ভারতের সীমান্তে নাগর নদী।
ঠাকুরগাঁওয়ে অনেকগুলো নদী রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে টাঙ্গন নদী, ছোট ঢেপা নদী, কুলিক নদী, পুনর্ভবা নদী, তালমা নদী, পাথরাজ নদী, কাহালাই নদী, তীরনই নদী, নাগর নদী, তিমাই নদী, এবং নোনা নদী।এছাড়াও আছে শুক নদী, ছোট সেনুয়া নদী, আমনদামন নদী, লাচ্ছি নদী, ভুল্লী নদী এবং সোজ নদী।
চিত্তাকর্ষক স্থান
হরিপুর উপজেলায় অবস্থিত হরিপুর রাজবাড়ির পেছনভাগ।
জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ - শিবগঞ্জহাট;
বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ - প্রায় ২০০ বছরের পুরনো, হরিণ মারি গ্রামে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক - পীরগঞ্জ;
রাজভিটা - হাটপাড়া, জাবরহাট ইউনিয়ন, পীরগঞ্জ উপজেলা;
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি - রানীশংকৈল উপজেলা;
হরিপুর রাজবাড়ি - হরিপুর উপজেলা;
জগদল রাজবাড়ি - রানীশংকৈল উপজেলা;
প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন - নেকমরদ, রানীশংকৈল উপজেলা;
নেকমরদ মাজার - রানীশংকৈল উপজেলা;
মহেশপুর মহালবাড়ি ও বিশবাঁশ মাজার ও মসজিদস্থল - রানীশংকৈল উপজেলা;
শালবাড়ি ইমামবাড়া - ভাউলারহাট, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা;
সনগাঁ মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
ফতেহপুর মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
মেদিনী সাগর মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
গেদুড়া মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
গোরক্ষনাথ মন্দির এবং কূপ - রানীশংকৈল উপজেলা;
হরিণমারী শিব মন্দির - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
গোবিন্দনগর মন্দির - ঠাকুরগাঁও শহর;
ঢোলরহাট মন্দির - ঠাকুরগাঁও শহর;
ভেমটিয়া শিবমন্দির - পীরগঞ্জ পৌরসভা;
মালদুয়ার দুর্গ - রানীশংকৈল উপজেলা;
গড়গ্রাম দুর্গ - রানীশংকৈল উপজেলার;
বাংলা গড় - রানীশংকৈল উপজেলা;
গড় ভবানীপুর - হরিপুর উপজেলা;
গড়খাঁড়ি - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
কোরমখান গড় - ঠাকুরগাঁও শহর;
সাপটি বুরুজ - ঠাকুরগাঁও উপজেলা;
দিঘি - ঠাকুরগাঁও জেলার উল্লেখযোগ্য দিঘিগুলো হলো-গড়েয়াহাট দিঘি, লস্করা দিঘি, টুপুলী দিঘি, শাসলা ও পেয়ালা দিঘি, ঠাকুর দিঘি(দানারহাট), আঠারো গান্ডি পোখর-ঠাকুরগাঁও উপজেলায়। আধার দিঘি, হরিণমারী দিঘি, রতন দিঘি, দুওসুও দিঘি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়। রামরাই দিঘি, খুনিয়া দিঘি, রানীসাগর-রানীশংকৈল উপজেলায়। মেদিনীসাগর দিঘি হরিপুর উপজেলায়। রানীশংকৈলের রামরাই দিঘি ঠাকুরগাঁও জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহৎ । দিঘিটি পাঁচশ থেকে হাজার বছরের পুরাতন হতে পারে। এর সঠিক ইতিহাস জানা যায় না।
পরিচ্ছেদসমূহ
১ ভৌগোলিক সীমানা
২ প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
৩ ইতিহাস
৪ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা
৫ অর্থনীতি
৬ শিক্ষা
৭ কৃতি ব্যক্তিত্ব
৮ নদীসমূহ
৯ চিত্তাকর্ষক স্থান
১০ তথ্যসূত্র
১১ গ্যালারি
১২ বহি:সংযোগ
১৩ আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
ভৌগোলিক সীমানা
ঠাকুরগাঁও জেলার উত্তরে পঞ্চগড় জেলা, দক্ষিণে দিনাজপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে দিনাজপুর জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
ঠাকুরগাঁও জেলা ৫টি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা
পীরগঞ্জ উপজেলা
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা
রানীশংকৈল উপজেলা
হরিপুর উপজেলা
রুহিয়া উপজেলা
ইতিহাস
ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদীর পাড়ে অপরাজেয় ৭১ ভাস্কর্য।
টাংগন, শুক ও সেনুয়া বিধৌত এই জনপদের একটি ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে বৃটিশ শাসনমলে বর্তমান পৌরসভা এলাকার কাছাকাছি কোনো স্হানে একটি থানা স্হাপিত হয়। এই পরিবারের নাম অনুসারে থানাটির নাম হয় ঠাকুরগাঁও থানা। "ঠাকুর" অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের সংখ্যাধিক্যের কারণে স্হানটির নাম ঠাকুরগাঁও হয়েছে।
১৭৯৩ সালে ঠাকুরগ্রাম অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে ঘোষিত হয়। এর অধীনে ছয়টি থানা ছিল, এগুলো হলঃ ঠাকুরগাঁও সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, হরিপুর ও আটোয়ারী। ১৯৪৭ সালে এই ৬টি থানা এবং ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ৩টি থানা ও কোচবিহারের ১টি থানা (পঞ্চগড়, বোদা, তেতুলিয়া ও দেবীগঞ্জ) নিয়ে ১০টি থানার মহকুমা হিসেবে ঠাকুরগাঁও নুতনভাবে যাত্রা শুরু করে। কিন্ত ১৯৮১ সালে আটোয়ারী, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া নিয়ে পঞ্চগড় নামে আলাদা মহকুমা সৃষ্টি হলে ঠাকুরগাঁও মহকুমার ভৌগোলিক সীমানা ৫টি থানায় সংকুচিত হয়ে যায়। থানাগুলি হচ্ছেঃ ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর। ১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী ঠাকুরগাঁও মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়।
ছোট জেলা হলেও ঠাকুরগাঁও প্রাচীন ঐতিহ্যসমৃদ্ধ একটি জনপদ। এখানে যেমন উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর (সাঁওতাল ও উরাও) মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছে, তেমনিভাবে বৌদ্ধ, হিন্দু, মুসলমান শাসনামলে বিভিন্নমুখি পরিবর্তনের ছোয়ায় পালাবদলের প্রক্রিয়া চলেছে। জেলার নেকমরদ, রাণীশংকৈল এসব স্হানে সুপ্রাচীন সভ্যতার নির্দশন বিদ্যমান।
অতীত এবং বর্তমান বিচারে উত্তরাঞ্চলের মধ্যে ঠাকুরগাঁও একটি সমৃদ্ধ জেলা। ১৯৭১-এ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বরেন্দ্র ভূমির অন্যান্য জেলার মতই এই জেলার মানুষ ক্রমান্বয়ে উন্নততর যোগাযোগ ব্যবস্যা এবং উন্নয়নের অন্যান্য সুফল লাভে সক্ষম হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও জেলার মানুষ বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে যোগসূত্র স্হাপন করে সকল সামাজিক, রাজনৈতিক আন্দোলনে ভাগীদার হয়েছে এবং নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা
জামালপুর জামে মসজিদ
ঠাকুরগাঁও জেলারয় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত দুটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। সেগুলো হচ্ছে ঢোলহাট মন্দির ও জামালপুর জামে মসজিদ। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হচ্ছে হরিপুর রাজবাড়ি।
অর্থনীতি
প্রধান শস্যঃ ধান, গম, আখ। রপ্তানী পণ্যঃ ধান, চাল, আম।
শিক্ষা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০; কলেজ : ২৭; মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৪১ ও মাদ্রাসা : ৭৪
কৃতি ব্যক্তিত্ব
রাজা গণেশ, (শাসনকাল ১৪১৫) ছিলেন বাংলার একজন হিন্দু শাসক। তিনি বাংলার ইলিয়াস শাহি রাজবংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন।
সুরবালা সেনগুপ্ত, (১৮৮১ - ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) ছিলেন ভারত উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন বিপ্লবী নেত্রী।
নরেন্দ্র চন্দ্র ঘোষ (জন্ম : ১৪ এপ্রিল, ১৯১২ - মৃত্যু ৪ আগস্ট ১৯৯৪) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, (৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ - ৬ নভেম্বর, ১৯৭০) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক ।
স্বদেশরঞ্জন মুখোপাধ্যায় (জন্ম : ১৯২৪ - মৃত্যু ২০০৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।
তৃপ্তি মিত্র, (২৫ অক্টোবর, ১৯২৫ – ২৪ মে, ১৯৮৯) বাংলা ভাষার থিয়েটার ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী এবং শম্ভু মিত্রের স্ত্রী।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, (জন্মঃ ১ আগস্ট, ১৯৪৮) হচ্ছেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
রমেশ চন্দ্র সেন,(জন্মঃ ৩০ এপ্রিল ১৯৪০)হচ্ছেন সংসদ সদস্য ঠাকুরগাঁও - ১
নদীসমূহ
হরিপুর উপজেলায় বাংলাদেশ ভারতের সীমান্তে নাগর নদী।
ঠাকুরগাঁওয়ে অনেকগুলো নদী রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে টাঙ্গন নদী, ছোট ঢেপা নদী, কুলিক নদী, পুনর্ভবা নদী, তালমা নদী, পাথরাজ নদী, কাহালাই নদী, তীরনই নদী, নাগর নদী, তিমাই নদী, এবং নোনা নদী।এছাড়াও আছে শুক নদী, ছোট সেনুয়া নদী, আমনদামন নদী, লাচ্ছি নদী, ভুল্লী নদী এবং সোজ নদী।
চিত্তাকর্ষক স্থান
হরিপুর উপজেলায় অবস্থিত হরিপুর রাজবাড়ির পেছনভাগ।
জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ - শিবগঞ্জহাট;
বালিয়াডাঙ্গী সূর্য্যপূরী আমগাছ - প্রায় ২০০ বছরের পুরনো, হরিণ মারি গ্রামে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক - পীরগঞ্জ;
রাজভিটা - হাটপাড়া, জাবরহাট ইউনিয়ন, পীরগঞ্জ উপজেলা;
রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি - রানীশংকৈল উপজেলা;
হরিপুর রাজবাড়ি - হরিপুর উপজেলা;
জগদল রাজবাড়ি - রানীশংকৈল উপজেলা;
প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন - নেকমরদ, রানীশংকৈল উপজেলা;
নেকমরদ মাজার - রানীশংকৈল উপজেলা;
মহেশপুর মহালবাড়ি ও বিশবাঁশ মাজার ও মসজিদস্থল - রানীশংকৈল উপজেলা;
শালবাড়ি ইমামবাড়া - ভাউলারহাট, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা;
সনগাঁ মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
ফতেহপুর মসজিদ - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
মেদিনী সাগর মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
গেদুড়া মসজিদ - হরিপুর উপজেলা;
গোরক্ষনাথ মন্দির এবং কূপ - রানীশংকৈল উপজেলা;
হরিণমারী শিব মন্দির - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
গোবিন্দনগর মন্দির - ঠাকুরগাঁও শহর;
ঢোলরহাট মন্দির - ঠাকুরগাঁও শহর;
ভেমটিয়া শিবমন্দির - পীরগঞ্জ পৌরসভা;
মালদুয়ার দুর্গ - রানীশংকৈল উপজেলা;
গড়গ্রাম দুর্গ - রানীশংকৈল উপজেলার;
বাংলা গড় - রানীশংকৈল উপজেলা;
গড় ভবানীপুর - হরিপুর উপজেলা;
গড়খাঁড়ি - বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা;
কোরমখান গড় - ঠাকুরগাঁও শহর;
সাপটি বুরুজ - ঠাকুরগাঁও উপজেলা;
দিঘি - ঠাকুরগাঁও জেলার উল্লেখযোগ্য দিঘিগুলো হলো-গড়েয়াহাট দিঘি, লস্করা দিঘি, টুপুলী দিঘি, শাসলা ও পেয়ালা দিঘি, ঠাকুর দিঘি(দানারহাট), আঠারো গান্ডি পোখর-ঠাকুরগাঁও উপজেলায়। আধার দিঘি, হরিণমারী দিঘি, রতন দিঘি, দুওসুও দিঘি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়। রামরাই দিঘি, খুনিয়া দিঘি, রানীসাগর-রানীশংকৈল উপজেলায়। মেদিনীসাগর দিঘি হরিপুর উপজেলায়। রানীশংকৈলের রামরাই দিঘি ঠাকুরগাঁও জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহৎ । দিঘিটি পাঁচশ থেকে হাজার বছরের পুরাতন হতে পারে। এর সঠিক ইতিহাস জানা যায় না।

No comments
New comments are not allowed.